ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় নিয়ে কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটির মূল বিষয়গুলো নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
* বিশাল ব্যয়: ১ আগস্ট পর্যন্ত এই যুদ্ধে পেন্টাগনের ব্যয় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যুদ্ধ চললে প্রতি মাসে আরও ৩ বিলিয়ন ডলার বা তার বেশি খরচ হতে পারে।
* অর্থনৈতিক প্রভাব: ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধের কারণে মার্কিন মূল্যস্ফীতি ০.৫ শতাংশ বাড়তে পারে। হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরে চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় জ্বালানি ও পণ্যের দাম বাড়ছে।
* ব্যয়ের ধরন: খরচের বড় অংশ ব্যয় হয়েছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ পুনরায় কেনায়। তবে এতে সেনাদের ক্ষতিপূরণ ও চিকিৎসার খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
* তথ্যের সীমাবদ্ধতা: পেন্টাগন সিবিওকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়নি। তাই বিভিন্ন সরকারি উৎস ও প্রকাশিত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এই হিসাব করা হয়েছে।
* অস্ত্রের ঘাটতি: পেন্টাগনের মহাপরিদর্শকের তথ্যমতে, যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সামরিক মজুতে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
* রাজনৈতিক গুরুত্ব: আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে যুদ্ধ ও মূল্যস্ফীতি এখন মার্কিন রাজনীতির বড় ইস্যু।
* হোয়াইট হাউসের চাওয়া: জুনে হোয়াইট হাউস যুদ্ধের জন্য ৮৭.৬ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চেয়েছিল। এর মধ্যে ৪২.৩ বিলিয়ন ডলার সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনার জন্য চাওয়া হয়েছিল।
২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধের সাত মাস পার হলেও এর সমাধানের কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।


Leave a Reply