ইরানের সঙ্গে কয়েক মাসের সরাসরি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত অস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। সেই সঙ্গে অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। মার্কিন সরকারের একটি ওয়াচডগ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সোমবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর, পররাষ্ট্র দফতর এবং ইউএসএআইডির মহাপরিদর্শকরা। এটি ইরানের সঙ্গে সংঘাতের পর মার্কিন অস্ত্রের মজুত হ্রাসের প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব। এতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের তিন বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
ইরানি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে থাকা শত শত স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। দেশগুলো হলো—কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান ও জর্ডান। এছাড়া হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান ও ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ইরানের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী এই সংঘাত মার্কিন সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। সরকারি এই প্রতিবেদনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।


Leave a Reply