ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তারা বলছে, আক্রমণ হলে হামলা তীব্রতর হবে। রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে। এটি এক ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তার বরাতে প্রকাশিত হয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ইরান এই অবস্থা মোকাবেলার চেষ্টা জোরদার করবে। ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। সেই যুদ্ধের ছয় মাস পর সংঘাত থেমে গেছে। একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিও ভেস্তে গেছে।
সামরিক অভিযান থেমে ছিল। তারপর আবার পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, তারা তিনটি ইরানি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর দুটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই হামলার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বোঝা উচিত খেলার নিয়ম বদলে গেছে। এখন থেকে ইরানের স্বার্থ ও নিরাপত্তায় যেকোনো হামলা হলে তার জবাব দ্রুত, কঠোর এবং বেদনাদায়ক হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব রেজাই বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর বাইরে একটি নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল ঘোষণা করা হবে। এটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই হবে।
এই অঞ্চলে উপসাগরের কিছু এলাকা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এই নতুন অঞ্চলে প্রবেশকারী যেকোনো জাহাজকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হবে।



Leave a Reply