রাজনীতির অঙ্গনে কোনো ধরনের রক্তপাত কিংবা সংঘর্ষ চান না রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর বদলে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
ঘটনাটি ঘটে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সুধী সমাজের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
বিশাল ত্যাগের ফসল আমাদের এই বাংলাদেশ, এমন মন্তব্য করে রাষ্ট্রপ্রধান জানান যে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি মজবুত করতে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ শুরু হয়ে গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন কলকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান প্রশাসন। খুব দ্রুতই কৃষি খাতের বিনিয়োগকারীদের এই অঞ্চলে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে।
ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দারা সবসময় শান্তিপ্রিয় স্বভাবের, তাই তারা সবসময় ঝামেলা এড়াতে পছন্দ করেন। সবাই স্বাধীনভাবে নিজ নিজ দলের রাজনীতি করবেন, তবে কোনো অবস্থাতেই যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান তিনি।
এসময় স্থানীয় যুবকদের জন্য ঠাকুরগাঁওয়ে একটি আধুনিক স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের ঘোষণা দেন রাষ্ট্রপতি। এর আগে দুপুর সোয়া একটার দিকে সার্কিট হাউজে পৌঁছালে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার জানায়। এরপর তিনি সরাসরি পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাত সম্পন্ন করেন।
পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, রোববার দুপুর একটায় কপ্টারে করে ঠাকুরগাঁও আসেন রাষ্ট্রপতি। দুদিনের এই সরকারি সফর শেষে সোমবার তার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।



Leave a Reply