রাজধানীর বনানীতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশের হাতে চলে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। গতকাল শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বনানী থানায় ইসমাইলের পরিবার হত্যা মামলা করেছে।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, জমি বিক্রির জন্য ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ইসমাইল হোসেন। পাঁচ লাখ টাকা ও মূল্যবান কিছু জিনিসপত্র নিয়ে। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, ইসমাইলের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, টাকার জন্য ইসমাইলের শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে যেতে পারে দুর্বৃত্তরা।
এর আগে, শুক্রবার সকালে বনানী এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে ইসমাইলের মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তার মুখে লাগানো ছিল স্কচটেপ। পরনে ছিল সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের শার্ট।
ইসমাইলের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার হবদেশ গ্রামে। গাজীপুরের কাশিমপুর করলাপাড়া এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি।



Leave a Reply